Tuesday, December 20, 2016

জেনে নিন ডাক্তারের মতে নারীকে তৃপ্তি দেওয়ার সব থকে কার্যকরী উপায় !!

জেনে নিন ডাক্তারের মতে নারীকে তৃপ্তি দেওয়ার সব থকে কার্যকরী উপায় !!

যৌন উত্তেজনা বাড়ানোর ১০ উপায়, প্রতিদিন একইভাবে যৌন মিলনেও অনেক সময় যৌন মিলনেও অনেক সময় যৌন উত্তেজনা হ্রাসের ব্যাপারে ভূমিকা রাখতে পারে। এখানে কয়েকটি টিপসের আলোচনা করা হবে যাতে করে উত্তেজনা বৃদ্ধিতে আপনি কিছুটা হলেও ফলপ্রসূ হন।
নারী উপরে এই অবস্থায় পুরুষের লিঙ্গ নারীর যৌনী তে ৪৫ ডিগ্রি এ্যাঙ্গেলে প্রবেশ করাবে নারী এবং নারী পুরুষের অনুত্থিত লিঙ্গকে হাত দিয়ে নাড়াচাড়া করে একে সুদৃঢ় করে তুলবে।

সে তার স্তন, ভগাঙ্কুর এবং পশ্চাৎপ্রদেশের ব্যবহারে পুরুষকে উত্তেজিত করে তুলবে।
এতে করেও যদি পুরুষাঙ্গ উত্থিত না হয় তবে একইভাবে পুনর্বার দেখা যেতে পারে। জি-স্পট সেক্স এতে করে নারী দু হাঁটু গেড়ে অনেকটা কুকুরের মতো বসবে। পুরুষ তার লিঙ্গ প্রবেশ করাবে। নারীর সবচেয়ে যৌন অঞ্চল মানে হলো ভগাঙ্কুর।পুরুষের লিঙ্গ একবার এতে ছোঁয়ালেই নারীর যৌনানুভূতি প্রবল হয়। এতে করে পুরুষেরও যৌন অনুভতি দৃঘ হবার কথা। নারী পুরুসকে এই ভাবেও উত্তেজিত করতে পারে। যৌন বিজ্ঞানীরা একে জি-স্পট সেক্স বলে। কেননা এতে করে নারী ইংরেজী জি অক্ষরের মতো আসন নিয়ে বসে। পৌনপুনিকতা পুরুষ তার উত্তেজনা বাড়াতে নারীর যোনিমুখে তার লিঙ্গকে প্রবেশ করানোর পূর্বে নারীর নিচের দিককার অর্থাৎ ভগাঙ্কুর, যোনি ইত্যাদিতে হাতের স্পর্শ বা মুখের স্পর্শ ঘটাতে পারে।

এতে করে পুরুষের যৌন উত্তেজনা বেড়ে যেতে পারে। আধুনিক হট স্পট যৌন বিজ্ঞান দেখেছে, নারীর পুরো শরীরই যৌন উত্তেজক। বিশেষ করে পেটের এবং তলপেটের নিচের দিকে ভগাঙ্কুরের মাঝামাঝি স্থানে নারী উত্তেজনা মারাত্মকভাবে লুকিয়ে থাকে। তবে বিভিন্ন নারীদের বিভিন্ন রকম হতে পারে। পুরুষদের তাদের নারীদের সাথে যৌন মিলনে যাবার সময় এটি বেছে নিতে হবে।

এতে করে পুরুষদের উত্তেজনা চূড়ান্ত হবার আশঙ্কা থাকে। পুরো শরীর জিহ্বা এবং হাতের আঙ্গুল যৌন উত্তেজনা বাড়াতে পারে। নারীর যোনিমুখের পাতলা আবরণ এবং ক্লাইটোরিস বা ভগাঙ্কুর যদি পুরুষ তার জিহ্বা দিয়ে নাড়াচাড়া করে তবে নারীর অনুভূতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে যায়। এছাড়াও ভালভাবে নখ ছেঁটে পুরুষ তার হাতের আঙ্গুল নারীর যোনিতে প্রবেশ করিয়েও তাকে তীব্র যৌনকাতর করে ফেলতে পারে। এতে করে নারীর উত্তেজনা পুরো শরীরে প্রবেশ করে এবং উত্তেজনার রেশ বাড়তে থাকে।

নারীর অধিগ্রহণ পুরুষের মুখের কাছে নারী তার যৌনাঞ্চলগুলো স্পর্শ, ঘ্রাণ দিয়ে যাবে। অনেক সময় নারীর যৌন অঞ্চলের ঘ্রানে পুরুষের উত্তেজনা দ্বিগুণ হয়। এতে করে পুরুষ বেশি উত্তেজিত হয়ে উঠবে। একে নারীর অধিগ্রহণ বলা হয়। মৌখিক তীব্রতা সাধারণভাবে এটা ওরাল সেক্স।
নারী পুরুষের লিঙ্গ, লিঙ্গদেশ এবং লিঙ্গমুন্ডের অগ্রভাগে চুমু দিয়ে, অথবা মুখের লালা দিয়ে ভিজিয়ে পুরুষকে চূড়ান্ত উত্তেজনা দিতে পারে।

আবার নারী পুরুষের লিঙ্গকে মুখের ভেতর বার বার প্রবেশ এবং বের করতে পারে। এতে করেও পুরুষের উত্তেজনা আসবে এবং যৌন শীতলতা কমে যাবে। মুখোমুখি নারীকে শুয়ে পুরুষ কিংবা পুরুষকে শুইয়ে নারী পরস্পর পরস্পরের দিকে যৌনতার দৃষ্টিতে চেয়ে থাকলে নারী- পুরুষ উভয়ের উত্তেজনা বেড়ে যায়।

পুরুষের অন্ডকোষ অনেক পুরুষ এই ব্যাপারটিতে অজ্ঞ।

তাদের অন্ডকোষের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু যৌনতা লুকানো থাকে। নারী যখন পুরুষের অন্ডকোষে হাত দেয় কিংবা তাতে মৃদু চাপ সৃষ্টি করে, তখনও পুরুষ বিশেষ এক ধরনের আনন্দ পেতে পারে। পুরুষের অন্ডকোষ যৌনতা সৃষ্টি করতে পারে। নারীর মৃদু হাত বোলানোতেও এই উত্তেজনা দ্বিগুণ হয়। ত্বকের উত্তেজনা বহু পুরুষের যৌনাঞ্চলের ত্বকেই বিশেষ ধরনের উত্তেজনা থাকে ।

নারীর স্পর্শে সেটা বেড়ে যায় যেমন-পুরুষের লিঙ্গের ত্বকে নারীর চুমু দেয়া কিংবা চুষে ফেলাতে পুরুষ যৌন উত্তেজনায় অস্থির হয়ে উঠতে পারে। এটি পুরুষের চরম উত্তেজনার প্রথম স্তর। নারী তাকে চূড়ান্ত উত্তেজনার জন্য তার লিঙ্গমুন্ডকে বার বার চুষতে পারে, এতে করে পুরুষের অবস্থা অধিক কাতর হয়ে উঠবে। তবে নারীকে লক্ষ্য রাখতে হবে, যেন তার দাঁত পুরুষের লিঙ্গে ক্ষতের সৃষ্টি না করে। কেন না চরম অবস্থায় উভয়েই বোধজ্ঞান কিছুটা হারিয়ে ফেলতে পারে।

পুরুষের মধ্যে যে জিনিস দেখলে যে কোন নারী দুর্বল হয়ে যায় !! পাগলের মত ভালবাসতে চায় !!

পুরুষের মধ্যে যে জিনিস দেখলে যে কোন নারী দুর্বল হয়ে যায় !! পাগলের মত ভালবাসতে চায় !!

কিছু পুরুষালি গুণ নারীকে আকর্ষণ করে, পুরুষের প্রতি দুর্বল করে তোলে। তা সব সময় উচ্চতা, গায়ের রং বা বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়। কাঙ্ক্ষিত পুরুষের মাঝে আরও বিশেষ কিছু খোঁজেন তাঁরা। বিষয়টা পুরোপুরিই মনো-দৈহিক। শরীর তো আছেই, সঙ্গে অবশ্যই থাকতে হবে আবেগ-অনুভূতিও।

নারীর হূদয় জয়ে সফল হতে হলে এসব পুরুষালি গুণের চর্চায় মনোযোগী হতে পারেন আজ থেকেই। পড়ুন এমন ছয়টি গুণের কথা—

ফিটফাট থাকুন
নারীরা দীর্ঘদেহী পুরুষ পছন্দ করেন বটে, তবে উচ্চতাই শেষ কথা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন। আসল বিষয় হলো নারী বুঝতে চায় আপনি নিজের যত্ন নিতে, ফিটফাট থাকতে পারছেন কি না। তাঁরা ভাবেন, যে পুরুষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমার দেখভাল করবেন কী করে?

সুতরাং, আলুথালু পোশাক, এলোমেলো চুল, নখ না কাটা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসীনতার দিন শেষ। হালের নারীরা এসব একেবারেই পছন্দ করেন না। নারীর মন পেতে হলে এসব খামখেয়ালিপনা আজই ছাড়ুন।

নিজের রুচি তুলে ধরুন
দামি ব্র্যান্ডের জামা-জুতো হতে হবে বিষয়টা মোটেও এমন নয়। আর যদি একটার সঙ্গে বেমানান আরেকটা এই ব্র্যান্ডের শার্ট, ওই ব্র্যান্ডের জুতো, সেই ব্র্যান্ডের জিনস হয় তাহলে তা আপনাকে দেখেই দৌড়ে পালাতে পারে যে কেউ। তাই সাধারণ দোকান থেকে কেনা হলেও পোশাকে-আশাকে নিজের রুচি পছন্দটা তুলে ধরুন। আর খেয়াল রাখুন তা যেন আপনার শারীরিক গড়ন আর গায়ের রঙের সঙ্গে মানানসই হয়। নিজের একটা স্টাইল গড়ে তুলুন।আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যেমন নারীদের ‘সন্ন্যাসিনী’ সেজে থাকা পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি আধুনিক নারীরাও ‘অফিস টাইপ’ পোশাকের পুরুষদের পছন্দ করেন না।

মুখে হাসি ফোটানরসবোধ থাকাটা যে কারও জন্যই উঁচুমানের গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কাঙ্ক্ষিত পুরুষের চরিত্রে নারীরা এটা খোঁজেন। প্রাত্যহিক জীবনে এমনিতেই বহু ঝুট-ঝামেলা নিয়ে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে থাকার মতো যথেষ্টই কারণ থাকে নারীদের। তাই একজন মনমরা টাইপ সঙ্গী তাঁদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। তাই নিজে হাসুন, তাঁর মুখেও হাসি ফোটাতবে খেয়াল রাখতে হবে ঠাট্টা-তামাশা করতে গিয়ে সব সময়ই অন্য কাউকে খাটো করা, আঘাত করা মোটেই কাজের কথা না। অনেক নারীই এটা রীতিমতো অপছন্দ করেন। আর যে পুরুষ হাসিমুখে নিজের ভুল স্বীকার করতে পারেন, নিজেকে নিজেই মশকরা করতে পারেন, তাঁর প্রতি নারীদের আকর্ষণ কতটা তীব্র সে বিষয়ে আমরা কিছু বলব না, আপনি নিজেই তা পরীক্ষা করে দেখুন।

জেনে নিন মোবাইলে মেয়েদেরকে কোন কথাগুলো বললে গোপন সম্পর্কে রাজি হয়ে যায়!

জেনে নিন মোবাইলে মেয়েদেরকে কোন কথাগুলো বললে গোপন সম্পর্কে রাজি হয়ে যায়!

১. মেয়ে নরম হচ্ছে না? তাকে দাম দিন। প্রশংসা করুন- তবে মেপে মেপে। শরীর নিয়ে ভুলেও প্রশংসা করবেন না। করলে বিপুল মাইনাছ!! তার কাজকে গুরুত্ব দিন। কোন গুণ থাকলে তার প্রশংসা করুন। পোষা প্রাণী থাকলে ওটারও প্রশংসা করুন(আপনার পছন্দ না হলেও!)

২. আপনি কি ভাই খুব ফিটফাট/ গোছালো? প্রথমেই মাইনাছ! কিছুটা অগোছালো, এলোমেলো ছেলেই নাকি সুন্দরী মেয়েদের বেশি পছন্দ! তবে সাবধান! উদ্ধত্যপূর্ণ কিংবা ছেঁড়া-ফাঁড়া পোশাক বাদ দিন। ভালো পারফিউম ব্যবহার করুন।

৩. মেয়ে ভাবলেশহীন ভাবে তাকিয়ে আছে? আপনি উদাসী হউন। নিজের ব্যাপার গুলো ভুলে যান বেশী করে। জ্ঞান ফলান। তবে হ্যাঁ, আঁতলামি কইরেন না আবার!

৪. মেয়ে বেশি ভাব-গম্ভীর? ঘন ঘন তাকান। বাছাই করা জোক্‌স দিয়ে রসিকতা করুন। হাসুন– হাসতে দিন। হাসি মুখ যে কাউকে আকর্ষণ করে।

৫. কাজ হচ্ছে না? দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারছেন না?? কথার ফাঁকে আপনার চুলে হাত বোলান। আপনার দিকে তাকালে জিভ্‌ দিয়ে ঠোঁট চাটুন (বেশী করা যাবে না।) পশমী বুক থাকলে জামার দু’একটা বোতাম খুলে দিন। ভদ্র ভাবে……… নরম হবেই!!

৬. মেয়ে অতিরিক্ত কঠিন? একেবারেই কাজ হচ্ছে না?? উলটো পথে হাঁটুন। জানেন তো, মাইনাছে মাইনাছে পিলাচ! এইবার দাম কিছুটা কম দেন। অন্য কারো সাথে ক্ষীর খান(মেয়ে হইলে ভালো)!! হঠাৎ দাম কমে গেলে সে কিছুটা জ্বলবেই। জ্বলে পুড়ে অঙ্গার হতে দিন। পড়ে আগুন নিভে গেলে বুঝবে……… আপনি ছাড়া গতি নাই!!
এগুলোতে কোন কাজই হলো না?????
ভয় পাবেন না। ভাত হাত দিয়ে খাওয়া যায়, আবার চামুচ দিয়াও খাওয়া যায়! অর্থাৎ ঘুরপথে আন্টির কাছে যান। মনে রাখবেন, পরিবারও অনেক সময় পছন্দে প্রভাব ফেলে।

৭. আন্টিকে কদমবুচি করেন। শরীর-স্বাস্থ্যের খবর নেন। পারিবারিক বিষয় নিয়ে আলাপ করেন। তবে সাবধান!! এতক্ষণ মেয়ের সাথে যা যা করছেন……… আন্টির সাথে আবার রিপিট মাইরেন না! তাইলে আমার লেখা পুরাই ব্যর্থ!!
মা মেয়ের চেয়ে আরো বেশী কঠিন??
কিন্তু মেয়েটা যে বেশী জটিল!! এর সাথেই ভাঁজ খাইতে মনে চায়!!!
তাইলে আর কি? শেষ ভরষা……… তাহার পিতা!

৮. এইবার ভুলেও উদাসী পাট লইয়েন না। ফিটফাট হয়া যান। কদমবুচি রিপিট লন। শরীরের খবরও লন। এরপর ইঞ্জিন স্টার্ট দেওয়ার মত পিতার পছন্দের কোন বিষয়ে কথার আরম্ভ কইরা দেন। সামনে নাশতা আসছে? খাওয়ার কথা ভুলে যান! খালি উৎসাহী বদনে শুনে যান। গাম্ভীর্য বজায় রাখুন। পরবর্তীতে ঘরে আপনার প্রশংসা হবেই। এতে যদি মেয়ে কিছুটা গলে!!!!

পরিশেষঃ
” যদি দেখেন টিপ্‌স গুলাতে কোন কাজ-ই হয় না
বুঝিবেন এই মেয়ে আপনার সাথে যায় না !!

সবার জেনে রাখা জরুরী !! বাবা মায়ের যে সামান্য ভুলের কারণে শিশু প্রতিবন্ধী বা বিকলাঙ্গ হয়ে জন্ম গ্রহণ করে?

সবার জেনে রাখা জরুরী !! বাবা মায়ের যে সামান্য ভুলের কারণে শিশু প্রতিবন্ধী বা বিকলাঙ্গ হয়ে জন্ম গ্রহণ করে?

গর্ভবতী অবস্থায় ঔষধ গ্রহণ :
গর্ভাবস্থায় শিশুর মা যদি ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই নানা প্রকার ঔষধ খেতে থাকে, তা শিশুর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে। অনেক ঔষধ ভ্রুনের অঙ্গ সৃষ্টিতে বাঁধার সৃষ্টি করে ফলে শিশু যে কোন ধরনের বিকলাঙ্গ বা প্রতিবন্ধিতা নিয়ে জন্ম গ্রহণ করতে পারে।

গর্ভবতী মায়ের অপুষ্টি :
গর্ভবতী মা যদি দীর্ঘদিন যাবৎ রক্তাল্পতায় ভোগেন, পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার না খান তবে ভ্রুনের গঠনগত বিকলাঙ্গড় দেখা দেয়, মস্তিস্কের বিকাশ ব্যাহত হয়, ফলে শিশু বিকলাঙ্গ অথবা প্রতিবন্ধী হয়। দেখা যায় এই কারণেই বাংলাদেশে ৩৭ শতাংশ নবজাতক কম ওজন নিয়ে জন্মায় এবং তাদের অর্ধেকেরই মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে জন্মের প্রথম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে।

গর্ভাবস্থায় মায়ের রোগসমূহ :
গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাসে মা যদি যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া, জার্মানহাম, চিকেনপক্স, মাম্পস, রুবেলা ভাইরাস, এইডস ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হন তবে গর্ভস্থ শিশুর উপর তার প্রভাব অত্যন্ত ক্ষতিকর হয়। এর ফলে শিশু শারীরিকভাবে বিকলাঙ্গ ও মানসিক প্রতিবন্ধী হতে পারে। এ ছাড়া মায়ের ডায়াবেটিস, উচ্চরক্ত চাপ, কিডনির সমস্যা, থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা প্রভৃতি শারীরিক অবস্থায় গর্ভস্থ শিশু প্রতিবন্ধী হতে পারে।

প্রতিদিন ঘুমাবার আগে কি খেলে পুরুষাঙ্গ সারাজীবন শক্ত ও মোটা থাকবে । জেনে রাখুন সারা জীবন কাজে লাগবে !!

প্রতিদিন ঘুমাবার আগে কি খেলে পুরুষাঙ্গ সারাজীবন শক্ত ও মোটা থাকবে । জেনে রাখুন সারা জীবন কাজে লাগবে !!

সেক্স বাড়ানো জন্য যৌন শক্তি বর্ধক ট্যাবলেট খাবেন না। এই ঔষধ পুরুষকে ধ্বজভংগ রোগের দিকে ঠেলে দেয় কিছু ক্ষেত্রে মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। যৌন শক্তি বাড়ানো জন্য কোন ঔষধ সেবনের প্রয়োজন নেই।

সেক্স বাড়ানো জন্য যৌন শক্তি বর্ধক ট্যাবলেট খাবেন না। এই ঔষধ পুরুষকে ধ্বজভংগ রোগের দিকে ঠেলে দেয় কিছু ক্ষেত্রে মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। যৌন শক্তি বাড়ানো জন্য কোন ঔষধ সেবনের প্রয়োজন নেই।

গবেষনায় দেখা যায় পুরুষের পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমে যৌন শক্তি পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে গাভীর খাঁটি দুধ ও ডিমের ভূমিকা অসাধারন। যৌন শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইউনানী ঔষধ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য অবশ্যই অভিজ্ঞ ও রেজিষ্টার্ড হাকীমের পরামর্শ নিতে হবে। মনে রাখবেন রাস্তা ফুটপাতে থেকে যৌন শক্তিবর্ধক ট্যাবলেট কেনা থেকে বিরত থাকুন। যৌন শক্তি বাড়ানোর কোন মন্ত্র আছে বলে বিজ্ঞান বিশ্বাস করেন না। যারা আপনাকে মন্ত্র পড়ে সহবাসের পরামর্শ দেয়, তারা নিছক আপনার সাথে প্রতারনা করে মাত্র। তাই যে কোন চিকিত্সা বা পরামর্শের জন্য রেজিষ্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

এখন আসি আসল কোথায় প্রতি দিন ঘুমাবার আগে ১ টি পান সাথে খাটি মধু ও কালজিরা পান দিয়ে খাবেন। ১০০% কাজে লাগবেই। না হলে আমাদের কমেন্ত বক্স এ জানাবেন। তবে এখানে মধু খাটি হতে হবে। অন্যথায় সব বিফলে যাবে।

স্তনের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নারীর জন্য জরুরী ১২ টি কাজ

স্তনের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নারীর জন্য জরুরী ১২ টি কাজ

সৌন্দর্য এবং স্বাস্থ্য রক্ষায় আমাদের বিশেষ মনোযোগ থাকলেও কোনো এক অদ্ভুত কারণে নিজের স্তনের স্বাস্থ্যের প্রতি বেশীরভাগ নারীরই তেমন উৎসাহ দেখা যায় না। অথচ শরীরের আর দশটি অঙ্গের মতো স্তনের যত্ন নেওয়াটাও জরুরী। বিশেষ করে ৩০ বছর বয়সের পর আমাদের জীবনযাত্রা এবং স্বাস্থ্যগত পরিবর্তনের কারণে স্তনের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করাটাও হয়ে পড়ে জরুরী। জেনে নিন স্তনের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অবশ্য করণীয় কিছু কাজ।

১) ব্যবহার করুন সঠিক মাপের ব্রাঃ
আরামদায়ক এবং স্বাস্থ্যকর ব্রা ব্যবহার করুন এবং অবশ্যই সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার করুন। সময়ের সাথে ব্রা সাইজ চেঞ্জ হতে পারে এ কারণে এক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরী।

২) মাঝে মাঝে ব্রা ছাড়াই থাকুনঃ
বাড়িতে ব্রা ছাড়াই থাকার চেষ্টা করুন। এতে আপনার শরীর অনেকটা শান্তি পাবে। মাঝে মাঝে স্পোর্টস ব্রা পরেও থাকতে পারেন।

৩) মাসাজ করুনঃ
শুধু হাত-পা নয়, রক্ত চলাচল বজায় রাখতে মাঝে মাঝে স্তন মাসাজ করতে পারেন।

৪) নিজে থেকেই পরীক্ষা করুনঃ
নিজের স্তন নিজে পরীক্ষা করলে ক্ষতি কোথায়? কোনো রোগ আপনার স্তনে বাসা বেঁধেছে কিনা তা জানতে মাঝে মাঝে স্তন পরীক্ষা করুন নিজেই। স্তনে কোনো রকম পরিবর্তন দেখতে পেলে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।

৫) স্বাস্থ্যকর খাবার খানঃ
মধ্যবয়সে মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায়। এ সময় থেকেই বেশি করে ফলমূল এবং শাকসবজি খাওয়া উচিৎ। এতে সারা শরীরের পাশাপাশি আপনার স্তন থাকবে সুস্থ।

৬) ময়েশ্চারাইজিংঃ
সারা শরীরের ত্বকের মতো স্তনের ত্বকেও পড়তে পারে বয়সের ছাপ, বলিরেখা এবং কুঞ্চন। এ কারণে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করাটা জরুরী।

৭) ধূমপান নিষিদ্ধঃ
খুব কম সময়েই আমাদের বয়স বাড়িয়ে দিতে পারে ধূমপান। এর পাশাপাশি স্তন ঝুলে যাবার কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে ধূমপান। সুতরাং নিজের শরীর ভালো রাখতেই বাদ দিন এই বিশ্রী অভ্যাসটি। কমিয়ে ফেলুন ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহল গ্রহণের মাত্রাও।

৮) ব্যায়াম করুনঃ
বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরকে ফিট রাখতে করুন ব্যায়াম। স্তনের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য করতে পারেন এই ব্যায়ামগুলো। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখলে কমে যাবে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি।

৯) ম্যামোগ্রামঃ
একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর স্তন সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ডাক্তারের সাথে কথা বলে বার্ষিক স্তন পরীক্ষা বা ম্যামোগ্রাম করান যাতে কোনো রোগ থাকলে তা শনাক্ত করা যায় দ্রুত। তবে পারিবারিক ইতিহাস না থাকলে ম্যামোগ্রাম না করিয়ে সাধারণ ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে পারেন।

১০) থাকুন ইমপ্ল্যান্ট এবং কেমিক্যাল থেকে দূরেঃ
ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট এবং এনহান্সিং কেমিক্যালগুলো আপনার সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্যই ভীষণ ঝুকিপুর্ণ। এগুলো থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকুন।

১১) ব্রেস্ট ফিডিং করানঃ
আপনি মা হয়ে থাকলে অবশ্যই বাচ্চাকে সঠিক উপায়ে ব্রেস্ট ফিডিং করান। তা আপনার স্তনের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করবে।

১২) ঝুঁকির ব্যাপারে জেনে রাখুনঃ
আপনার পারিবারিক ইতিহাসে কারও ব্রেস্ট ক্যান্সার আছে কিনা তা জানা থাকলে নিজের ঝুঁকির ব্যাপারেও আপনি সতর্ক থাকতে পারবেন।

এই ৫টি খাবার নারীর গোপনাঙ্গ সুস্থ রাখবে

এই ৫টি খাবার নারীর গোপনাঙ্গ সুস্থ রাখবে

সুস্থ নারী যৌনাঙ্গের কথা শুনে হয়তো অনেকেই অবাক হবেন ,কারণ এটি দেহের এমন একটি স্পর্শকাতর অংশ যেখান সমস্যা হতেই পারে আর সমস্যা হলে নারীরা লজ্জায় এই ব্যাপারটি নিয়ে কথা বলতে চান না। কিন্তু খাওয়া দাওয়া করে, ডায়েট করে অনেক উপায়েই সুস্থ দেহ আমরা সবাই আশা করি।

কিন্তু আমরা অনেকেই হয়তো ভুলে যাই নারীদেহে প্রতিটি অংশের পাশাপাশি সুস্থ যৌনাঙ্গও খুব প্রয়োজন, কারণ এখানেও দেখা দিতে পারে দুর্গন্ধ কিংবা ক্যানসারের মতো আরও ভয়ংকর কিছু রোগ। তাই অবশ্যই দেহের এই অংশটির সুস্থতা অনিবার্য। তাহলে জেনে রাখুন এমন ৫ টি খাবার সম্পর্কে যা নারীদের যৌনাঙ্গের জন্য উপকারী ও নিজেদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় খাবারগুলো রাখুন।

দইঃ

এই পৃথিবীতে দই কে বলা হয়ে থাকে ‘ফ্রেন্ডলি ব্যাকটেরিয়া’। কারণ দই নারীদেহের যৌনাঙ্গে লুকিয়ে থাকা খারাপ ব্যাকটেরিয়াগুলোকে দেহের সুস্থতায় ভাল ব্যাকটেরিয়ায় পরিণত করে। তাই নারীদের খাদ্য তালিকায় দই অবশ্যই রাখা উচিত।

আনারসঃ

দারুণ সুস্বাদু ফল আনারস দেহের জন্য ভাল আমরা সবাই জানি। আপনি কি জানেন আনারস খাওয়ার ফলে নারীদেহের যৌনাঙ্গের দুর্গন্ধ দূর করে। কিন্তু সব নারীর যৌনাঙ্গে দুর্গন্ধ হয়না, যাদের হয় তারা ফল খাওয়ায় তালিকায় আনারস রাখুন।

স্ট্রবেরিঃ

নানা ধরণের ভিটামিনে ভরপুর স্ট্রবেরি দেহের জন্য তো অবশ্যই ভাল, সাথে নারীদেহে যৌনাঙ্গের সুস্থতায় এর অবদান অনেক।

ক্যানবেরিঃ

ক্যানবেরি একধরনের বুনো টক ফল এবং খুব রসালো। এই ফলটি নারীদেহে যৌনাঙ্গের pH লেভেলের ভারসাম্য বজায় রাখে। তাছাড়া এই ফলটি নারীদের ইউরেনারি ইনফেশন এর জন্য খুব উপকারী।

অ্যাভোকাডোঃ

এই ফলটি তাত্ক্ষণিক কামশক্তি সহায়তাকারী হিসেবে কাজ করে। তাছাড়া এই ফলের ভিটামিন ও মিনারেলস উপাদান নারীদেহের যৌনাঙ্গের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

পিরিয়ড চলাকালীন শারীরিক দুর্গন্ধ দূর করার ১২টি কার্যকরী উপায়!

পিরিয়ড চলাকালীন শারীরিক দুর্গন্ধ দূর করার ১২টি কার্যকরী উপায়!

নারী স্বাস্থ্য নিয়ে আমাদের সমাজে সচেতনতা না থাকলেও পুরুষের চাইতে নারীরা কিন্তু অধিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে পিরিয়ড সংক্রান্ত সমস্যায়। পিরিয়ড চলাকালীন শরীরে বাজে দুর্গন্ধের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। এই গন্ধ এতটাই তীব্র হয়ে থাকে যে অনেক নারীর ক্ষেত্রেই ব্যাপারটি মারাত্মক বিব্রতকর হয়ে দাঁড়ায়? পিরিয়ডের সময় এই বাজে দুর্গন্ধের সমস্যা হতে পারে অনেক কারণেই। চলুন, আজ জেনে নিই এই দুর্গন্ধ দূর করার ব্যাপারে কিছু বিস্তারিত পরামর্শ।

১) পিরিয়ডের সময়ে অন্যান্য সময়ের চাইতে বাড়তি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অপরিহার্য। প্রত্যেকবার প্যাড পরিবর্তনের সময় কুসুম গরম পানি ও একটি কোমল সাবান বা বডি ওয়াশ ব্যবহার করুন।

২) পিরিয়ডের দুর্গন্ধের সমস্যা থাকলে দিনে দুবার গোসল করুন, বিশেষ করে গরমের দিনে।

৩) অধিক শোষণক্ষমতা সম্পন্ন সিনথেটিক কোন স্যানিটারি ন্যাপকিন বা প্যাড মোটেও ব্যবহার করবেন না। এসব প্যাডের শোষণ ক্ষমতা উচ্চ হলেও এগুলোর মাঝে জমাট বাঁধা রক্ত বাজে গন্ধ ছড়ায়। সাধারণ তুলোর তৈরি পয়াদ ব্যবহার করুন দুর্গন্ধের সমস্যা থাকলে।

৪) অনেকেই পিরিয়ডের সময় গোপন অঙ্গের দুর্গন্ধ ঢাকতে পারফিউম যুক্ত প্যাড ব্যবহার করে থাকেন। এই কাজটিও করবেন না। এই বাড়তি পারফিউমের রাসায়নিক উপাদানের কারণে গোপন অঙ্গের PH লেভেলের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়, ফলে খারাপ ব্যাকটেরিয়ার গ্রোথ বেড়ে যায়। এতে হরেক রকম ইনফেকশন হবার ও বাজে দুর্গন্ধ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেক গুণ বেশী।

৫) একই কারণেই ওয়েট টিস্যু বা বেবি ওয়াইপসও ব্যবহার করবেন না।

৬) প্রত্যেকবার প্যাড পরিবর্তনের পর হাত ভালো করে ধুয়ে নিন। আপনার প্রিয় পারফিউম ব্যবহার করতেই পারে, তবে সেটা পোশাকে গোপন অঙ্গে বা এর আশেপাশে নয়।

৭) অবশ্যই পিরিয়ডের সময়ে সুতির প্যানটি পরিধান করুন। একই সাথে কোন টাইট পোশাকও পরবেন না। এতে গন্ধ বাড়বে।

৮) পিউবিক হেয়ার পরিষ্কার রাখুন। ঘাম ও রক্ত পিউবিক হেয়ারে জমে গিয়ে আজে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে।

আরও কিছু ঘরোয়া প্রতিকার-
৯) পিরিয়ডের সময় স্বাস্থ্যকর খাবার খাবেন প্রচুর সবজি ও ফলমূলের সাথে। খাবার তালিকায় অবশ্যই রাখবেন প্রচুর পানি ও টক দই। এই টক দই গোপন অঙ্গের যে কোন ইনফেকশন প্রতিরোধ করবে ও দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ করবে।

১০) খাদ্য তালিকায় নিয়মিত রাখুন রসুন। রসুন বিখ্যাত তাঁর অ্যান্টি ফাঙ্গাল গুণাবলীর কারণে।

১১) কিছু মেথি রাতের বেলা এক কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে পানিতি পান করুন ও মেথিগুলো চিবিয়ে খেয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।

১২) চাল ধোয়া পানিও এক্ষেত্রে বেশ উপকারে আসে। গোপন স্থান ধোয়ার জন্য চাল ধোয়া পানি ব্যবহার করতে পারেন।

এই ঘরোয়া উপায়গুলো আপনার পিরিয়ড চলাকালীন দুর্গন্ধ দূর করতে সহায়তা করবে। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে পরিচ্ছন্নতা মেনে চলার পরও যদি দুর্গন্ধের সমস্যা রয়েই যায়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই একজন স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হবেন। পিরিয়ডের সময় বাজে দুর্গন্ধ হবার অন্যতম কারণ হতে পারে ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন, যা কেবল একজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলেই প্রতিকার হওয়া সম্ভব।