Sunday, December 11, 2016

সিরিজ জয়ের দুয়ারে কোহলির ভারত

সিরিজ জয়ের দুয়ারে কোহলির ভারত

ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে ৪০০ করে কখনোই হারেনি কোনো দল। তবে সব কিছুরই প্রথম আছে! অনাকাঙ্ক্ষিত সেই প্রথম হার এখন ইংল্যান্ডের জন্য স্রেফ সময়ের ব্যাপার। ইংলিশদের নাভিশ্বাস উঠে গেছে বিরাট কোহলি ও জয়ন্ত যাদবের রেকর্ড রানের চাপায়।
রেকর্ড গড়া ডাবল সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছেন কোহলি। নয় নম্বরে নেমে ইতিহাস গড়া সেঞ্চুরি করছেন জয়ন্ত। দুজনের জুটিতেও হয়ছে রেকর্ড। পরে ভারতীয় স্পিনে ভেঙে পড়েছে ইংলিশ ব্যাটিং।

প্রথম ইনিংসে ২৩১ রানে পিছিয়ে থাকা ইংল্যান্ড চতুর্থ দিন শেষ করেছে ৬ উইকেটে ১৮২ রানে। ইনিংস হার এড়াতেই প্রয়োজন এখনও ৪৯ রান। ম্যাচে হার এড়ানো প্রায় অসম্ভব। ২-০তে এগিয়ে থাকা ভারত সিরিজ জিতে যাবে এই ম্যাচ জিতলেই।

ইংল্যান্ডের ৪০০ রানের জবাবে ভারত প্রথম ইনিংসে তুলেছে ৬৩১। ২৩৫ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেছেন কোহলি। জয়ন্ত করেছেন ১০৪। পরে অশ্বিন ও জাদেজা ধরেছেন জোড়া শিকার।

ম্যাচের প্রথম আড়াই দিন ভারতের সঙ্গে সমান তালেই ছিল ইংল্যান্ড। তৃতীয় দিন বিকেলে কোহলি ও জয়ন্তর জুটিতে এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। চতুর্থ দিন এই জুটি শুধু ম্যাচ থেকেই ছিটকে দেয়নি, পিষ্ট করেছে ইংলিশদের মনোবলও।

স্ট্রোকের ফুলঝুরি ছুটিয়ে প্রথম সেশনেই ১২৮ রান তুলে ফেলেন দুজন। লাঞ্চের আগেই কোহলি পেয়ে যান ডাবল সেঞ্চুরি, ৩০২ বলে।

এক বছরে এটি তার তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি, উঠলেন নতুন উচ্চতায়। বছরে তিন ডাবল সেঞ্চুরি ভারতের হয়ে তিনিই প্রথম, সব মিলিয়ে ইতিহাসে মাত্র পঞ্চম!

জয়ন্ত সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন লাঞ্চের পরপর। নয় নম্বরে এই প্রথম সেঞ্চুরি করলেন ভারতের কোনো ব্যাটসম্যান!
খানিকপর জয়ন্তর বিদায়ে ভাঙে ২৪১ রানের জুটি। তবে রেকর্ড গড়া হয়ে গেছে অনেক আগেই। অষ্টম উইকেটে ভারতের হয়ে আগের সর্বোচ্চ জুটি ছিল মোহাম্মদ আজহার উদ্দিন ও অনিল কুম্বলের ১৬১।
রান বাড়ানোর তাড়ায় শেষ পর্যন্ত আউট হন কোহলিও। ৩৪০ বলে ২৩৫ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস শেষ হয় সীমানায় ধরা পড়ে। ভারত অধিনায়ক হিসেবে এটি সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। পেছনে পড়ে গেছে মহেন্দ্র সিং ধোনির ২২৪।

ভারত শুধু বড় রানের লিডই নেয়নি, শুষে নিয়েছে ইংলিশদের জীবনী শক্তিও। ব্যাটিংয়ে ফুটে ওঠে সেটিই। প্রথম ইনিংসে অভিষেকে সেঞ্চুরি করা কিটন জেনিংস আউট ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই। তাকে অনুসরণ করতে থাকেন একের পর এক ব্যাটসম্যান।

জো রুট অবশ্য দারুণ খেলেছেন। চতুর্থ উইকেটে জনি বেয়ারস্টোর সঙ্গে একটা জুটিও গড়তে পারেন। ছোবল দেওয়া স্পিনেও দারুণ ব্যাট করেছেন রুট। ৭৭ রানে এলবিডব্লিউ হয়ে যান জয়ন্তর জোরের ওপর করা বলে।

এরপর একা লড়ে গেছেন বেয়ারস্টো। দিনের শেষ ওভারে ফিরেছেন নাইটওয়াচম্যান জেইক বল। শেষ বিকেলটাও যেন বার্তা দিল ইংল্যান্ডের দু:সহ আগামীর!

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৪০০

ভারত ১ম ইনিংস: ১৮২.৩ ওভারে ৬৩১ (আগের দিন শেষে ৪৫১/৭) (কোহলি ২৩৫, জয়ন্ত ১০৪, ভুবনেশ্বর ৯, উমেশ ৭* ; অ্যান্ডারসন ০/৬৩, ওকস ১/৭৯, মইন ২/১৭৪, রশিদ ৪/১৯২, বল ১/৪৭, স্টোকস ০/৩২, রুট ২/৩১)।

ইংল্যান্ড ২য় ইনিংস: ৪৭.৩ ওভারে ১৮২/৬ (কুক ১৮, জেনিংস ০, রুট ৭৭, মইন ০, বেয়ারস্টো ৫০*, স্টোকস ১৮, বল ২; ভুবনেশ্বর ১/১১, উমেশ ০/১০, জাদেজা ২/৫৮, অশ্বিন ২/২৯, জয়ন্ত ১/৩৯)।

রোজ রাত্রে বিছানার চাদরের নীচে সাবান রেখে ঘুমাতো মেয়েটি, তার ফল হল অবিশ্বাস্য

রোজ রাত্রে বিছানার চাদরের নীচে সাবান রেখে ঘুমাতো মেয়েটি, তার ফল হল অবিশ্বাস্য

ভেলমা ডাক্তারদের কথায় কিঞ্চিৎ হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু তারপর নানাবিধ ঘরোয়া টোটকা নিয়ে পরীক্ষা-নীরিক্ষা চালাতে গিয়ে তিনি নিজেই আবিষ্কার করে ফেলেন এমন একটি ঘরোয়া কৌশল, যার মাধ্যমে ঘুমের মধ্যে পায়ের যন্ত্রণা থেকে হাতেনাতে মিলতে পারে মুক্তি।

অনেকেই রাত্রে ঘুমনোর সময়ে পায়ে যন্ত্রণা বা টান লাগার সমস্যায় ভোগেন। ঘুমের মাঝে, বিশেষত যখন সবেমাত্র ঘুমটা আসছে, তখনই আচমকা টান ধরে যায় পায়ের গোড়ালির একটু উপরের অংশে কিংবা উরুতে। কখনও কখনও সেই বেদনা বড় মারাত্মক হয়ে ওঠে। ঘুমের তো দফারফা হয়ই, অনেক সময়ে সকাল বেলাও ব্যথা রয়ে যায় পায়ে, হাঁটতে চলতে কষ্ট হয়।

সাধারণভাবে এই সমস্যাকে বলা হয় চার্লি হর্সেস। প্রধানত স্নায়বিক সমস্যার কারণেই এমনটা হয়ে থাকে। এছাড়া কিডনির রোগ, অতিরিক্ত মদ্যপান, কিংবা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও ঘটে থাকে এমনটা।

মার্কিন ম্যাসাজ থেরাপিস্ট ভেলমা ভ্যালোরও এই সমস্যায় ভুগতেন। ঘুমের মাঝে যখন তখন যন্ত্রণা শুরু হত পায়ে। ডাক্তারের কাছে যাওয়ায় তাঁরা বলেন, এই সমস্যার কারণটিকে খুঁজে বার করে তাকে নির্মূল করতে হবে। কিন্তু সেই চিকিৎসা সময়সাপেক্ষ। এই বেদনার কোনও চটজলদি সমাধান নেই।

ভেলমা ডাক্তারদের কথায় কিঞ্চিৎ হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু তারপর নানাবিধ ঘরোয়া টোটকা নিয়ে পরীক্ষা-নীরিক্ষা চালাতে গিয়ে তিনি নিজেই আবিষ্কার করে ফেলেন এমন একটি ঘরোয়া কৌশল, যার মাধ্যমে ঘুমের মধ্যে পায়ের যন্ত্রণা থেকে হাতেনাতে মিলতে পারে মুক্তি।

ভেলমা রোজ রাত্রে নিজের শোওয়ার বিছানার চাদরের নীচে একটি সোপ বার বা সাবানের বার রেখে দেওয়া শুরু করেন। সাধারণ স্নান করার সাবানই ছিল সেটি। কিন্তু তাতেই অবিশ্বাস্য ফল ফলে। ভেলমা চিরতরে মুক্তি পান ঘুমের মাঝে পায়ের যন্ত্রণা থেকে।

কিন্তু এই ঘরোয়া টোটকা কি কাজ করবে অন্য মানুষের ক্ষেত্রেও? মে়ডিক্যাল ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভেনিয়ার গবেষকরা বলছেন, আশ্চর্যজনকভাবে দেখা গিয়েছে, প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষের ক্ষেত্রেই এই কৌশল কার্যকর। দেখা গিয়েছে, যাঁরা ঘুমের মধ্যে পায়ে খিঁচ ধরার সমস্যায় ভুগতেন, তাঁদের অনেকেই ঘুমের সময়ে বিছানার চাদরের নীচে সাবান রেখে দেখেছেন, মুক্তি মিলেছে সেই সমস্যা থেকে।

কিন্তু কীভাবে একটি সাবান নিষ্কৃতি দিতে পারে পায়ের যন্ত্রণা থেকে? গবেষকরা বলছেন, এই প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা। একটা সম্ভাব্য কারণ হতে পারে এই যে, শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব ঘটলে পায়ে এই ধরনের টান ধরে। আর সাবানে থাকে ম্যাগনেসিয়াম। কাজেই এমনটা হওয়া অসম্ভব নয় যে, সাবানের সংস্পর্শে পা দু’টি থাকলে, পায়ের ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি কিছুটা লাঘব হয়। সেই কারণেই হয়তো মুক্তি মেলে পায়ের আকস্মিক যন্ত্রণা থেকেও।

Saturday, December 10, 2016

দু'রকম মডেলের স্মার্টফোন আনছে স্যামসাং

দু'রকম মডেলের স্মার্টফোন আনছে স্যামসাং

ভাঁজ করা যায় এমন স্মার্টফোন বাজারে আনতে যাচ্ছে স্যামসাং, এ খবার অনেক দিন ধরেই জানানো হচ্ছে। তবে সম্প্রতি জানা যায়, জোড়া স্ক্রিনওয়ালা ও বইয়ের মতো ভাঁজ করা এই দু’রকম মডেলের দুটি ফোল্ডেবল স্মার্টফোন লঞ্চ করতে চলেছে স্যামসাং।

খুব সম্ভবত ২০১৭-র জানুয়ারিতে লাস ভেগাসের কনজিউমার ইলেকট্রনিক শোতে স্মার্টফোনটির দুটি মডেল প্রকাশ করবে সংস্থা। যদি কোন কারণে সেটা না হয়, তবে ঠিক ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে বার্সেলোনার মোবাইল ওয়ার্ল্ড কনফারেন্সে ফোন দুইটা তুলে ধরা হবে বিশ্বের সামনে।
স্যামসাং জানিয়েছে, আপাতত তিন রকম ভাবে গ্রাহকদের এই ফোন ব্যবহারের সুবিধা দিতে পারবে তারা। চাইলে ফোনটার ভাঁজ খুলে রেখে ট্যাবলেটের মতো করে ব্যবহার করা যাবে। ইচ্ছে হলে স্ক্রিনটাকে লুকিয়ে রাখা যাবে স্রেফ ভিতরের ভাঁজে। অথবা আর পাঁচটা মোবাইল ফোনের মতো স্ক্রিনটা রাখা যাবে সামনেও। তবে এখনো পর্যন্ত এই ভাঁজ করা স্মার্টফোনের অন্য কোন ফিচারস জানায়নি স্যামসাং। ফলে ফোনটার দাম কত হতে পারে, তাও এখনো পর্যন্ত রয়ে যাচ্ছে অজানাই!

সেই হ্যাপি ফিরছেন নায়িকা হয়ে

সেই হ্যাপি ফিরছেন নায়িকা হয়ে

আসছে নতুন বছরে নাজনীন আক্তার হ্যাপিকে নায়িকা হসেবে পাচ্ছেন দর্শকেরা।   ছবির নাম 'সত্যিকারের মানুষ’।

হ্যাপির বিপরীতে এই ছবিতে অভিনয় করেছেন নবাগত চিত্রনায়ক কংকন।   এ ছাড়া বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আলীরাজ, অমিত হাসানসহ অনেকে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে মুক্তি পাবে।
ছবির নাম প্রথমে ‘রিয়েলম্যান’ছিল। পরবর্তীতে তা পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘সত্যিকারের মানুষ’। এ নামেই সিনেমাটি সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে নির্মাতা বদরুল আমিন।

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ধুমকেতু ছবি। শাকিব খানের এই ছবিতে হ্যাপি একটি আইটেম গানে অংশ নিয়েছেন।

টাইগারদের পরবর্তী ২৫টি আন্তর্জাতিক ম্যাচের সময়সূচি প্রকাশ

টাইগারদের পরবর্তী ২৫টি আন্তর্জাতিক ম্যাচের সময়সূচি প্রকাশ

স্পোর্টস ডেস্ক: ম্যাচে অকাল শেষ টাইগারদের। পরবর্তী বছরে সিরিজের পর সিরিজ টাইগারদের সামনে। এ বছর ইংল্যান্ড সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ঠিক সময়েই (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে এসেছে। এরপর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে (৭, ৯ ও ১২ অক্টোবর) খেলে ফেলেছেন টাইগাররা।

একদিনের সিরিজে ইংলিশদের কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। টাইগাররা সামনে পার করবেন ব্যস্ত সময়। ২০ অক্টোবর থেকেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে নেমে পড়বেন তারা।

টাইগারদের পরবর্তী ২৫টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ একনজরে:

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ: ইংলিশদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। প্রথম টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে ২০ অক্টোবর থেকে। আর সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি  মাঠে গড়াবে ২৮ অক্টোবর। 

নিউজিল্যান্ড সফরে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ: ইংল্যান্ড দল দেশ ছাড়লে মাশরাফিরা খেলবেন বিপিএলে।

এরপর তারা উড়ে যাবেন নিউজিল্যান্ডে। সেখানে তিনটি একদিনের ম্যাচ, তিনটি টি-টোয়েন্টি ও দুইটি টেস্ট খেলবেন চাইগাররা। ২৬, ২৯ ও ৩১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ওয়ানডে। তিনটি টি-টোয়েন্টি মাঠে গড়াবে যথাক্রমে ২০১৭ সালের ৩, ৬ ও ৮ জানুয়ারি। প্রথম টেস্ট ওয়েলিংটনে শুরু হবে ১২ জানুয়ারি। আর দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচ ২০ জানুয়ারি থেকে।

ভারত সফরে টেস্ট সিরিজ: দীর্ঘ ১৬ বছরের আক্ষেপ ঘুচতে যাচ্ছে টাইগারদের। ভারতের মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ খেলতে যাচ্ছেন টাইগাররা। হোক না তা এক টেস্টের সিরিজ। ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এই ঐতিহাসিক টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ভারতের হায়দরাবাদে।

শ্রীলঙ্কা সফরে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ: ভারতের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ খেলে টাইগাররা যাবেন শ্রীলঙ্কায়। ওই সফরে তিনটি একদিনের ম্যাচ, দুইটি টি-টোয়েন্টি ও দুইটি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ দল। ২০১৭ সালের মার্চ মাসে এই পুর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে শ্রীলঙ্কা যাবে বাংলাদেশ। তবে এই সিরিজের সূচি এখনো চূড়ান্ত হয় নি।

নিউজিল্যান্ড, আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজ: স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ১২ মে মাশরাফিদের প্রথম ম্যাচ। এরপর ১৭ মে দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। ১৯ মে বাংলাদেশ দ্বিতীয়বারের মতো আবার মাঠে নামবে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। আর নিজেদের শেষ ম্যাচে ২৪ মে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লড়াইয়ে নামবেন টাইগাররা।

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি:  ১ জুন আইসিসির চ্যাম্পিয়নস ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।  এরপর ৫ জুন বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ মাঠে নামবে ৯ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।
১১ ডিসেম্বর ২০১৬/এমটিনিউজ২৪/হাবিব/এইচআর

শীত উপযোগী ৫ খাবার

শীত উপযোগী ৫ খাবার

ঠাণ্ডা জনিত সমস্যা থেকে বাঁচতে সাহায্য করবে।
প্রোটিনজাতীয় খাবার, অপরিশোধিত শস্যজাতীয় খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত ব্যায়াম— শীত মৌসুমেও সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে। তাছাড়া কিছু খাবার নিয়মিত গ্রহণে শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে শীতে সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী কিছু খাবারের নাম উল্লেখ করা হয়।গাজর: বেটা ক্যারোটিনে ভরপুর একটি সবজি। তাছাড়া আরও রয়েছে ভিটামিন এ যা এই মৌসুমে ঠাণ্ডা এবং কফ থেকে রক্ষার জন্য বিশেষ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
গ্রিন টি ও ক্যামোমাইল টি: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদানে ভরপুর গ্রিন টি। দিনে তিন থেকে পাঁচ কাপ গ্রিন টি পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে ঠাণ্ডা-কাশি থেকে বাঁচতে সাহায্য করে ক্যামোমাইল চায়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান।

মাশরুম: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। সাদা মাশরুম শরীরের জন্য বেশি উপকারী।

রসুন: ঠাণ্ডা এবং জ্বর থেকে মুক্তি পেতে সব থেকে সহজলভ্য এবং উপকারী উপাদান হল রসুন। শরীরে উপকারী এনজাইম তৈরি করে যকৃত থেকে দুষিত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। কাঁচারসুন শরীরের জন্য সব থেকে বেশি উপকারী। তবে এর কড়া স্বাদ ও গন্ধ সহ্য না হলে রান্না করে খাওয়া যেতে পারে।
মধু: ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে বহুল পরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি খাবার। কাশি, কফ এবং জ্বর সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। শরীরের ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়া এবং ভাইরাস দূর করতে সাহায্য করে মধুর অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান। ঘুমানোর আগে প্রতি রাতে মধু খাওয়া যেতে পারে। কুসুম গরম পানি বা দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়া বেশ উপকারী।

এক সময়ের পর্দা কাঁপানো নায়িকা এখন পথে পথে ভিক্ষা করে বেড়াচ্ছেন

এক সময়ের পর্দা কাঁপানো নায়িকা এখন পথে পথে ভিক্ষা করে বেড়াচ্ছেন

বিনোদন ডেস্ক: শুরুতে ছিলেন জনপ্রিয় মডেল পরে পর্দা কাঁপানো নায়িকা। আজ তিনি পথে পথে ভিক্ষা করে বেড়াচ্ছেন। এটি বাস্তব এক চিত্র। এটা কোনো নাটক বা চলচ্চিত্রের গল্প নয়। এটি এক গ্ল্যামার কন্যার জীবনে করুণ পরিণতির বাস্তবতা।

জানা গেছে, মিতালি শর্মা নামের এই অভিনেত্রী নায়িকা হবার স্বপ্ন নিয়ে বাবা ও মায়ের অমতেই নাম লিখিয়েছিলেন বলিউডের ছবিতে। কিন্তু একসময়ের এই গ্ল্যামার গার্ল চ্যালেঞ্জে হেরে যান। যখন বুঝতে পারলেন তাকে দিয়ে আর অভিনয় হবে না তখন ফিরে যেতে চাইলেন।

কিন্তু কোথায় ফিরবেন? তাকে আশ্রয় দিতে চাইলেন না বাবা মা। শেষপর্যন্ত বাধ্য হয়ে পথেই জায়গা খুঁজে নিলেন।

সম্প্রতি ক্ষুধার জ্বালায় চুরি করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন তিনি। আর তখনই প্রকাশ হলো এই খাবার চোর একসমেয়র জনপ্রিয় নায়িকা ছিলেন! এই খবরে হৈ চৈ পড়ে গেছে বলিউডজুড়ে।

জানা গেছে, মিতালি শর্মা দিল্লির বাসিন্দা ছিলেন। মডেল হিসেবে বেশ সুনামও অর্জন করেছিলেন। অভিনয় করেন বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক ভাষার ছবিতেও। এ কারণে বাবা মা’র সঙ্গে সম্পর্কের ছেদ ঘটে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেননি তিনি।

তার ছবিগুলো ফ্লপ হলে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তাই মুম্বাইয়ের লোখান্ডওয়ালায় রাস্তায় ভিক্ষে করে পেট চালাতেন। সম্প্রতি ক্ষুধার জ্বালায় চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে যান তিনি। আর তখনই জানা গেল নায়িকার জীবনের করুণ এই পরিণতির গল্প!

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মুম্বাইয়ের ওশিওয়াড়ার একটি হাউজিং সোসাইটির কাছে গাড়ির কাচ ভেঙে চুরির চেষ্টা করার সময় তাকে হাতে নাতে ধরে ফেলে পুলিশ। বর্তমানে পুলিশের তত্ত্বাবধানে মানসিক হাসপাতাল আছেন। এই খবর সর্বত্র প্রকাশ হলেও মিতালির খোঁজ নিতে আসেননি তার পরিবার-পরিজন।

প্রসঙ্গত, এর আগে বলিউডে গীতাঞ্জলি নাগপাল নামের এক অভিনেত্রীর বেলাতেও এমন খবর শোনা গিয়েছিলো। একসময়ের পর্দা কাঁপানো এই অভিনেত্রীও সব জৌলুস হারিয়ে ভিক্ষা করতে নেমেছিলেন পথে।
১১ ডিসেম্বর ২০১৬/এমটিনিউজ২৪/হাবিব/এইচআর

শিখে নিন কীভাবে বাড়িতে বানাবেন ‘রসমালাই

শিখে নিন কীভাবে বাড়িতে বানাবেন ‘রসমালাই

ওয়েব ডেস্ক: মিষ্টি। নামটা শুনলেই জিভে জল এসে যায়। তার উপর আবার যদি শীতকাল হয়, তাহলে তো কথাই নেই। শীতকালে নতুন গুড়ের মিষ্টি খেতে আমরা কে না ভালোবাসি। শীত তো পড়েই গেল। ইতিমধ্যেই নতুন গুড়ের মিষ্টি খেতে নিশ্চয়ই শুরু করে দিয়েছেন? আর খাবেন নাই বা কেন? বছরের এই কয়েকটা মাসই তো মিষ্টির এই অসাধারণ স্বাদ পাওয়া যায়।
শীতকাল জুড়ে নতুন গুড়ের মিষ্টি তো খাবেনই। তার আগে টেস্ট করে দেখুন রসমালাই। কী নামটা শুনেই জিভে জল এসে গেল? রসগোল্লা আবার তাতে ঘন দুধের স্বাদ। সত্যিই এ স্বাদের ভাগ হবে না। খেতে যতটা অসাধারণ, ততটাই সহজ রসমালাই তৈরি। শিখে নিন। আর বাড়িতে তৈরি করে ফেলুন। শেষ পাতে মিষ্টিটা জমে যাবে।

৯০-এর এই নায়িকা এখন দেখতে কেমন?

৯০-এর এই নায়িকা এখন দেখতে কেমন?

বিনোদন ডেস্ক : ১৯৯৬ সালে ‘পাপা কহতে হ্যায়’ হল একটি সুপার-ডুপার হিট। ওই একটি ছবির জন্য চিরকাল বলিউড দর্শক মনে রাখবেন ময়ূরী কঙ্গো এবং যুগল হংসরাজকে। ময়ূরীর প্রথম ছবি যদিও ওটা নয়। প্রথম ছবিটা ছিল সৈয়দ মির্জার ‘নাসিম’। যেহেতু বাণিজ্যিক ছবি নয়, তাই সে ছবির কথা অনেকেই জানেন না। কিন্তু ‘পাপা কহতে হ্যায়’ দেখেননি, এমন মানুষ কমই রয়েছেন।

ওই ছবিটির পরে আরও বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেন ময়ূরী। টেলিভিশনেও অভিনয় করেন দীর্ঘদিন। ২০০০ সাল থেকে ২০০৫ সাল, যাঁরা নিয়মিত হিন্দি টেলিভিশন দেখতেন, তাঁদের অনেকেই

হয়তো ‘কুসুম’ বা ‘কিটি পার্টি’  ছবিতে ময়ূরীর অভিনয়ের কথা মনে রেখেছেন। কিন্তু ২০০৯ সালের পর থেকেই তিনি সরে আসেন অভিনয় জগৎ থেকে। তার আগেই, ২০০৩ সালে অবশ্য তাঁর বিয়ে হয় এনআরআই ব্যবসায়ী আদিত্য ধিলোঁর সঙ্গে।

অভিনয় থেকে সরে আসার পরে ময়ূরী চলে যান মার্কিন দেশে। সেখানে ম্যানেজমেন্ট ডিগ্রিও নেন। ২০১২ সালের পরে তিনি দেশে ফিরে আসেন ছেলেকে নিয়ে। এখন ময়ূরী তাঁর শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে থাকেন গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬ অঞ্চলে। বর্তমানে কাজ করছেন ডিজিটাল অ্যাডভার্টাইজিং এক্সপার্ট হিসেবে। কয়েক মাস আগে একটি সর্বভারতীয় দৈনিকের সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন যে, অভিনয়ে ফেরার আপাতত কোনও ইচ্ছা নেই এবং তিনি তাঁর সেলিব্রিটি জীবনযাপনকে একেবারেই মিস করেন না।

ময়ূরী মনে করেন, তাঁর সংক্ষিপ্ত অভিনয়জীবন অবশ্যই খুব এক্সাইটিং ছিল কিন্তু জীবনে তার চেয়েও ভাল একটা পর্যায়ে রয়েছেন এখন তিনি। চুটিয়ে সংসার করছেন, মাতৃত্ব উপভোগ করছেন এবং সবচেয়ে বড় কথা, মনের মতো একটি চাকরি করছেন। তবে একটা কথা বলতেই হয়, এত বছর কেটে যাওয়ার পরেও ময়ূরী এখনও অত্যন্ত সুন্দরী, আগের মতোই মিষ্টি। -এবেলা।
১০ ডিসেম্বর, ২০১৬/এমটিনিউজ২৪/সৈকত/এমএম

Thursday, December 1, 2016

জেনে নিন মোবাইলে মেয়েদেরকে কোন কথাগুলো বললে গোপন সম্পর্কে রাজি হয়ে যায়!

জেনে নিন মোবাইলে মেয়েদেরকে কোন কথাগুলো বললে গোপন সম্পর্কে রাজি হয়ে যায়!

১. মেয়ে নরম হচ্ছে না? তাকে দাম দিন। প্রশংসা করুন- তবে মেপে মেপে। শরীর নিয়ে ভুলেও প্রশংসা করবেন না। করলে বিপুল মাইনাছ!! তার কাজকে গুরুত্ব দিন। কোন গুণ থাকলে তার প্রশংসা করুন। পোষা প্রাণী থাকলে ওটারও প্রশংসা করুন(আপনার পছন্দ না হলেও!)

২. আপনি কি ভাই খুব ফিটফাট/ গোছালো? প্রথমেই মাইনাছ! কিছুটা অগোছালো, এলোমেলো ছেলেই নাকি সুন্দরী মেয়েদের বেশি পছন্দ! তবে সাবধান! উদ্ধত্যপূর্ণ কিংবা ছেঁড়া-ফাঁড়া পোশাক বাদ দিন। ভালো পারফিউম ব্যবহার করুন।

৩. মেয়ে ভাবলেশহীন ভাবে তাকিয়ে আছে? আপনি উদাসী হউন। নিজের ব্যাপার গুলো ভুলে যান বেশী করে। জ্ঞান ফলান। তবে হ্যাঁ, আঁতলামি কইরেন না আবার!

৪. মেয়ে বেশি ভাব-গম্ভীর? ঘন ঘন তাকান। বাছাই করা জোক্‌স দিয়ে রসিকতা করুন। হাসুন– হাসতে দিন। হাসি মুখ যে কাউকে আকর্ষণ করে।

৫. কাজ হচ্ছে না? দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারছেন না?? কথার ফাঁকে আপনার চুলে হাত বোলান। আপনার দিকে তাকালে জিভ্‌ দিয়ে ঠোঁট চাটুন (বেশী করা যাবে না।) পশমী বুক থাকলে জামার দু’একটা বোতাম খুলে দিন। ভদ্র ভাবে……… নরম হবেই!!

৬. মেয়ে অতিরিক্ত কঠিন? একেবারেই কাজ হচ্ছে না?? উলটো পথে হাঁটুন। জানেন তো, মাইনাছে মাইনাছে পিলাচ! এইবার দাম কিছুটা কম দেন। অন্য কারো সাথে ক্ষীর খান(মেয়ে হইলে ভালো)!! হঠাৎ দাম কমে গেলে সে কিছুটা জ্বলবেই। জ্বলে পুড়ে অঙ্গার হতে দিন। পড়ে আগুন নিভে গেলে বুঝবে……… আপনি ছাড়া গতি নাই!!
এগুলোতে কোন কাজই হলো না?????
ভয় পাবেন না। ভাত হাত দিয়ে খাওয়া যায়, আবার চামুচ দিয়াও খাওয়া যায়! অর্থাৎ ঘুরপথে আন্টির কাছে যান। মনে রাখবেন, পরিবারও অনেক সময় পছন্দে প্রভাব ফেলে।

৭. আন্টিকে কদমবুচি করেন। শরীর-স্বাস্থ্যের খবর নেন। পারিবারিক বিষয় নিয়ে আলাপ করেন। তবে সাবধান!! এতক্ষণ মেয়ের সাথে যা যা করছেন……… আন্টির সাথে আবার রিপিট মাইরেন না! তাইলে আমার লেখা পুরাই ব্যর্থ!!
মা মেয়ের চেয়ে আরো বেশী কঠিন??
কিন্তু মেয়েটা যে বেশী জটিল!! এর সাথেই ভাঁজ খাইতে মনে চায়!!!
তাইলে আর কি? শেষ ভরষা……… তাহার পিতা!

৮. এইবার ভুলেও উদাসী পাট লইয়েন না। ফিটফাট হয়া যান। কদমবুচি রিপিট লন। শরীরের খবরও লন। এরপর ইঞ্জিন স্টার্ট দেওয়ার মত পিতার পছন্দের কোন বিষয়ে কথার আরম্ভ কইরা দেন। সামনে নাশতা আসছে? খাওয়ার কথা ভুলে যান! খালি উৎসাহী বদনে শুনে যান। গাম্ভীর্য বজায় রাখুন। পরবর্তীতে ঘরে আপনার প্রশংসা হবেই। এতে যদি মেয়ে কিছুটা গলে!!!!

পরিশেষঃ
” যদি দেখেন টিপ্‌স গুলাতে কোন কাজ-ই হয় না
বুঝিবেন এই মেয়ে আপনার সাথে যায় না !!

বিয়ের পর মেয়েদের বক্ষ দেশ এবং কোমর মোটা হয় কেন? জানেন কি!

বিয়ের পর মেয়েদের বক্ষ দেশ এবং কোমর মোটা হয় কেন? জানেন কি!

অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা ৩৫০ জন কনের ওপর গবেষণা করে তথ্য বের করেন, বিয়ের পর কেন কনের স্তন ও কোমর মোটা হয়। দেখা যায়, বিয়ের পর প্রথম ছয় মাসে কনেরা প্রায় পাঁচ পাউন্ডের মতো ওজন বাড়িয়ে ফেলেন। পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, যারা বিয়ের সময়ে সুন্দর দেখাতে নিজের ওজন অনেক দ্রুত কমিয়ে ফেলেন, বিয়ের পর তাদের ওজন দ্রুত বেড়ে যায়। বিয়ের পর নতুন বউঃ এটা প্রায়শই দেখা যায় যে, মেয়েরা চায় বিয়ের সময়ে তাদের দেখতে ছিপছিপে এবং কমবয়সী লাগুক।

এ কারণে তারা বিয়ের কয়েক মাস আগে থেকেই কঠোর ডায়েটে চলে যান। এমনকি দেখা যায়, পরিবারের মানুষ এমনকি তাদের বাগদত্ত পুরুষেরাই তাদেরকে বলেন ওজন কমাতে।

তারা বেশিরভাগই মোটামুটি ২০ পাউন্ড (৯ কেজির) মতো ওজন কমানোর পরিকল্পনা করে ডায়েট শুরু করেন।

অনেকের ওজন এই ডায়েটের ফলে কমে গেলেও বেশিরভাগেরই ওজনে তেমন কোনো হেরফের হয় না। তখন প্রথম ছয় মাসের মাঝেই তাদের ওজন বেড়ে যায় দ্রুত। বিয়ের পর স্তন বড় হওয়াঃ দেখা যায়, বিয়ের ছয় মাস পর তাদের ওজন বেড়েছে গড়ে ৪.৭ পাউন্ড (২.১ কেজি)। যারা বিয়ের আগে ওজন কমিয়েছিলেন, তাদের ওজন বাড়ার পরিমাণ আরও বেশি, প্রায় ৭.১ পাউন্ড (৩.২ কেজি)। তবে তারা বিয়ের আগে ওজন কমালেও বিয়ের পরে প্রায় ৪.৫ কেজি পর্যন্ত ওজন বেড়ে যায় তাদের।

বিয়ের পরে মেয়েরা মনে করে, সামনে তো আর কোনো বড় উপলক্ষ নেই আর তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের দিকে তাদের তেমন লক্ষ্য থাকে না। তারা খাওয়াদাওয়া এবং ব্যায়ামের ব্যাপারে নিয়মকানুন অনুসরণ বন্ধ করে দেন, যার ফলে ওজন বেড়ে যেতে থাকে। অনেকে আবার মনে করেন, বিয়ের পরে তাদের আকর্ষণীয় ফিগার বজায় রাখার দরকার নেই, এ কারনেও তাদের ওজন এভাবে বাড়তে দেখা যায়।